কম্পিউটারের ইতিহাস

কম্পিউটারের ইতিহাস খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দ থেকে শুরু হয় বলে ধরা হয়। সেই সময় ব্যাবিলনে অ্যাবাকাস নামক একটি গণনা যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়। অ্যাবাকাস ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে গণনা করা হতো। খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০/৫০০ অব্দে মিশরে বা চীনে গণনা যন্ত্র হিসেবে অ্যাবাকাস তৈরি হয়।

পরবর্তীতে গণনার কাজে বিভিন্ন কৌশল ও যন্ত্র ব্যবহার করে থাকলেও অ্যাবাকাসকেই কম্পিউটারের ইতিহাসে প্রথম যন্ত্র হিসেবে ধরা হয়।

১৭শ শতকে গণিতবিদ ও দার্শনিক ব্লেইজ পাস্কাল একটি যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর আবিষ্কার করেন। এই ক্যালকুলেটর দুটি সংখ্যার যোগ, বিয়োগ, গুণ এবং ভাগ করার কাজ করতে পারত।

১৮শ শতকে গণিতবিদ জোহান উলফগ্যাং ফন কের্টেসিয়াস একটি যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর আবিষ্কার করেন যা গাণিতিক ফাংশন গণনা করতে পারত।

১৯শ শতকে গণিতবিদ চার্লস ব্যাবেজ একটি যান্ত্রিক কম্পিউটার আবিষ্কার করেন। এই কম্পিউটারটি একটি প্রোগ্রামযোগ্য কম্পিউটার ছিল, অর্থাৎ এটিকে বিভিন্ন কাজ করার জন্য প্রোগ্রাম করা যেত। ব্যাবেজের এই কম্পিউটারটিকেই আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয়।

২০শ শতকের শুরুতে বৈদ্যুতিক কম্পিউটারের বিকাশ শুরু হয়। ১৯৪৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণাগারে ENIAC নামক একটি বৈদ্যুতিক কম্পিউটার তৈরি হয়। এই কম্পিউটারটি ছিল একটি বড় আকারের কম্পিউটার যা বিশাল পরিমাণে গণনা করতে পারত।

১৯৫০-এর দশকে বৈদ্যুতিক কম্পিউটারের বিকাশ আরও দ্রুত হয়। এই সময়ে IBM, UNIVAC, এবং Remington Rand এর মতো কোম্পানিগুলো বৈদ্যুতিক কম্পিউটার তৈরি করে।

১৯৬০-এর দশকে ইলেকট্রনিক লুপ ক্যালকুলেটর এবং মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কৃত হয়। এই আবিষ্কারগুলো কম্পিউটারের বিকাশে ব্যাপক অবদান রাখে।

১৯৭০-এর দশকে ব্যক্তিগত কম্পিউটারের (PC) বিকাশ শুরু হয়। এই সময়ে Apple, Commodore, এবং IBM এর মতো কোম্পানিগুলো ব্যক্তিগত কম্পিউটার তৈরি করে।

১৯৮০-এর দশকে ব্যক্তিগত কম্পিউটারের বিকাশ আরও দ্রুত হয়। এই সময়ে Microsoft Windows এবং Macintosh OS এর মতো অপারেটিং সিস্টেম জনপ্রিয় হয়।

১৯৯০-এর দশকে ইন্টারনেটের বিকাশ কম্পিউটারের বিকাশে নতুন মাত্রা যোগ করে। এই সময়ে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

২০০০-এর দশকে ওয়্যারলেস কম্পিউটিং, ক্লাউড কম্পিউটিং, এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মতো প্রযুক্তির বিকাশ কম্পিউটারের বিকাশকে আরও দ্রুত করে তোলে।

বর্তমানে কম্পিউটার আমাদের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। কম্পিউটার ব্যবহার করে আমরা বিভিন্ন কাজ করতে পারি, যেমন:

  • গণনা করা
  • তথ্য সংরক্ষণ করা
  • তথ্য প্রক্রিয়া করা
  • যোগাযোগ করা
  • বিনোদন নেওয়া

কম্পিউটারের বিকাশ আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে তুলেছে।

কম্পিউটারের একাল সেকাল

কম্পিউটারের ইতিহাস খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দ থেকে শুরু হয় বলে ধরা হয়। সেই সময় ব্যাবিলনে অ্যাবাকাস নামক একটি গণনা যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়। অ্যাবাকাস ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে গণনা করা হতো। খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০/৫০০ অব্দে মিশরে বা চীনে গণনা যন্ত্র হিসেবে অ্যাবাকাস তৈরি হয়।

পরবর্তীতে গণনার কাজে বিভিন্ন কৌশল ও যন্ত্র ব্যবহার করে থাকলেও অ্যাবাকাসকেই কম্পিউটারের ইতিহাসে প্রথম যন্ত্র হিসেবে ধরা হয়।

১৭শ শতকে গণিতবিদ ও দার্শনিক ব্লেইজ পাস্কাল একটি যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর আবিষ্কার করেন। এই ক্যালকুলেটর দুটি সংখ্যার যোগ, বিয়োগ, গুণ এবং ভাগ করার কাজ করতে পারত।

১৮শ শতকে গণিতবিদ জোহান উলফগ্যাং ফন কের্টেসিয়াস একটি যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর আবিষ্কার করেন যা গাণিতিক ফাংশন গণনা করতে পারত।

১৯শ শতকে গণিতবিদ চার্লস ব্যাবেজ একটি যান্ত্রিক কম্পিউটার আবিষ্কার করেন। এই কম্পিউটারটি একটি প্রোগ্রামযোগ্য কম্পিউটার ছিল, অর্থাৎ এটিকে বিভিন্ন কাজ করার জন্য প্রোগ্রাম করা যেত। ব্যাবেজের এই কম্পিউটারটিকেই আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয়।

২০শ শতকের শুরুতে বৈদ্যুতিক কম্পিউটারের বিকাশ শুরু হয়। ১৯৪৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণাগারে ENIAC নামক একটি বৈদ্যুতিক কম্পিউটার তৈরি হয়। এই কম্পিউটারটি ছিল একটি বড় আকারের কম্পিউটার যা বিশাল পরিমাণে গণনা করতে পারত।

১৯৫০-এর দশকে বৈদ্যুতিক কম্পিউটারের বিকাশ আরও দ্রুত হয়। এই সময়ে IBM, UNIVAC, এবং Remington Rand এর মতো কোম্পানিগুলো বৈদ্যুতিক কম্পিউটার তৈরি করে।

১৯৬০-এর দশকে ইলেকট্রনিক লুপ ক্যালকুলেটর এবং মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কৃত হয়। এই আবিষ্কারগুলো কম্পিউটারের বিকাশে ব্যাপক অবদান রাখে।

১৯৭০-এর দশকে ব্যক্তিগত কম্পিউটারের (PC) বিকাশ শুরু হয়। এই সময়ে Apple, Commodore, এবং IBM এর মতো কোম্পানিগুলো ব্যক্তিগত কম্পিউটার তৈরি করে।

১৯৮০-এর দশকে ব্যক্তিগত কম্পিউটারের বিকাশ আরও দ্রুত হয়। এই সময়ে Microsoft Windows এবং Macintosh OS এর মতো অপারেটিং সিস্টেম জনপ্রিয় হয়।

১৯৯০-এর দশকে ইন্টারনেটের বিকাশ কম্পিউটারের বিকাশে নতুন মাত্রা যোগ করে। এই সময়ে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

২০০০-এর দশকে ওয়্যারলেস কম্পিউটিং, ক্লাউড কম্পিউটিং, এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মতো প্রযুক্তির বিকাশ কম্পিউটারের বিকাশকে আরও দ্রুত করে তোলে।

বর্তমানে কম্পিউটার আমাদের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। কম্পিউটার ব্যবহার করে আমরা বিভিন্ন কাজ করতে পারি, যেমন:

  • গণনা করা
  • তথ্য সংরক্ষণ করা
  • তথ্য প্রক্রিয়া করা
  • যোগাযোগ করা
  • বিনোদন নেওয়া

কম্পিউটারের বিকাশ আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে তুলেছে।

সেকালের কম্পিউটার

সেকালের কম্পিউটার ছিল বড়, ভারী এবং ব্যয়বহুল। এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎ শক্তির প্রয়োজন হতো। এগুলোর ব্যবহার ছিল জটিল এবং প্রশিক্ষিত কর্মীদের প্রয়োজন ছিল।

একালের কম্পিউটার

একালের কম্পিউটার ছোট, হালকা এবং সাশ্রয়ী। এগুলোতে কম পরিমাণে বিদ্যুৎ শক্তির প্রয়োজন হয়। এগুলোর ব্যবহার সহজ এবং যে কেউ এগুলো ব্যবহার করতে পারে।

প্রাচীন যুগ

কম্পিউটারের প্রাচীন যুগ শুরু হয় খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দ থেকে। এই সময় ব্যাবিলনে অ্যাবাকাস নামক একটি গণনা যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়। অ্যাবাকাস ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে গণনা করা হতো। খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০/৫০০ অব্দে মিশরে বা চীনে গণনা যন্ত্র হিসেবে অ্যাবাকাস তৈরি হয়।

প্রাচীন যুগের কম্পিউটারগুলো ছিল যান্ত্রিক এবং এগুলোতে ইলেকট্রনিক উপাদান ব্যবহার করা হত না। এগুলোর কার্যপ্রণালী ছিল সহজ এবং এগুলোকে বিভিন্ন গণনা করার জন্য ব্যবহার করা হত।

প্রাচীন যুগের কম্পিউটারের কয়েকটি উদাহরণ হল:

  • অ্যাবাকাস
  • চায়না বোর্ড
  • রোমান অ্যাবাকাস
  • ক্যালকুলেটর
  • ডিফরেনশিয়াল ক্যালকুলেটর

প্রাচীন যুগের কম্পিউটারগুলোর বিকাশে বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীর অবদান রয়েছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:

  • ব্যাবিলনের গণিতবিদরা
  • চীনা গণিতবিদরা
  • রোমান গণিতবিদরা
  • ব্লেইজ পাস্কাল
  • জোহান উলফগ্যাং ফন কের্টেসিয়াস
  • চার্লস ব্যাবেজ

প্রাচীন যুগের কম্পিউটারগুলো আধুনিক কম্পিউটারের বিকাশের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।

মধ্যযূগ

কম্পিউটারের মধ্যযুগ শুরু হয় খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দ থেকে এবং শেষ হয় ১৯শ শতকের মাঝামাঝি সময়ে। এই সময়ের মধ্যে কম্পিউটারের বিকাশে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার হয়।

এই সময়ের মধ্যে আবিষ্কৃত কম্পিউটারগুলো ছিল যান্ত্রিক এবং এগুলোতে ইলেকট্রনিক উপাদান ব্যবহার করা হত না। তবে, এই সময়ের কম্পিউটারগুলো প্রাচীন যুগের কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি জটিল ছিল।

এই সময়ের কম্পিউটারের কয়েকটি উদাহরণ হল:

  • ব্লেইজ পাস্কালের ক্যালকুলেটর
  • জোহান উলফগ্যাং ফন কের্টেসিয়াসের ক্যালকুলেটর
  • চার্লস ব্যাবেজের ডিফারেনশিয়াল ক্যালকুলেটর
  • চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন

এই সময়ের কম্পিউটারগুলোর বিকাশে বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীর অবদান রয়েছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:

  • ব্লেইজ পাস্কাল
  • জোহান উলফগ্যাং ফন কের্টেসিয়াস
  • চার্লস ব্যাবেজ

কম্পিউটারের মধ্যযুগের উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার

  • ব্লেইজ পাস্কালের ক্যালকুলেটর (১৬৪২ সাল)

ব্লেইজ পাস্কাল একটি যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর আবিষ্কার করেন যা দুটি সংখ্যার যোগ, বিয়োগ, গুণ এবং ভাগ করার কাজ করতে পারত। এই ক্যালকুলেটরটি ছিল একটি বড় আকারের যন্ত্র যা একটি হাত ঘোরানোর মাধ্যমে কাজ করত।

  • জোহান উলফগ্যাং ফন কের্টেসিয়াসের ক্যালকুলেটর (১৬৭৩ সাল)

জোহান উলফগ্যাং ফন কের্টেসিয়াস একটি যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর আবিষ্কার করেন যা গাণিতিক ফাংশন গণনা করতে পারত। এই ক্যালকুলেটরটি ছিল একটি ছোট আকারের যন্ত্র যা একটি হাত ঘোরানোর মাধ্যমে কাজ করত।

  • চার্লস ব্যাবেজের ডিফারেনশিয়াল ক্যালকুলেটর (১৮২২ সাল)

চার্লস ব্যাবেজ একটি যান্ত্রিক কম্পিউটার আবিষ্কার করেন যা ডিফারেনশিয়াল সমীকরণ সমাধান করতে পারত। এই কম্পিউটারটি ছিল একটি বড় আকারের যন্ত্র যা একটি হাত ঘোরানোর মাধ্যমে কাজ করত।

  • চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন (১৮৩৭ সাল)

চার্লস ব্যাবেজ একটি যান্ত্রিক কম্পিউটার আবিষ্কার করেন যা প্রোগ্রামযোগ্য ছিল। এই কম্পিউটারটি ছিল একটি বড় আকারের যন্ত্র যা একটি হাত ঘোরানোর মাধ্যমে কাজ করত।

কম্পিউটারের মধ্যযুগ শেষ হওয়ার কারণ

কম্পিউটারের মধ্যযুগ শেষ হওয়ার কারণ হল:

  • ইলেকট্রনিক উপাদানের বিকাশ
  • কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণের জন্য ইলেকট্রনিক বর্তনী তৈরির সক্ষমতা অর্জন

ইলেকট্রনিক উপাদানের বিকাশের ফলে যান্ত্রিক কম্পিউটারের তুলনায় ইলেকট্রনিক কম্পিউটার তৈরি করা সহজ হয়ে ওঠে। এছাড়াও, কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণের জন্য ইলেকট্রনিক বর্তনী তৈরির সক্ষমতা অর্জনের ফলে ইলেকট্রনিক কম্পিউটারকে আরও জটিল কাজ করার জন্য প্রোগ্রাম করা সম্ভব হয়।

কম্পিউটারের মধ্যযুগ আধুনিক কম্পিউটারের বিকাশের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।

আধুনিক যুগ

কম্পিউটারের আধুনিক যুগ শুরু হয় ১৯শ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এবং বর্তমান সময় পর্যন্ত চলছে। এই সময়ের মধ্যে কম্পিউটারের বিকাশে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার হয়।

এই সময়ের মধ্যে আবিষ্কৃত কম্পিউটারগুলো ছিল ইলেকট্রনিক এবং এগুলোতে ট্রানজিস্টর, আইসি, এবং মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হত। এই কম্পিউটারগুলো প্রাচীন এবং মধ্যযুগের কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাশালী এবং ছোট আকারের ছিল।

এই সময়ের কম্পিউটারের কয়েকটি উদাহরণ হল:

  • ENIAC (১৯৪৩ সাল)
  • EDVAC (১৯৫১ সাল)
  • UNIVAC I (১৯৫১ সাল)
  • IBM 701 (১৯৫২ সাল)
  • IBM 1401 (১৯৫৯ সাল)
  • IBM 360 (১৯৬৪ সাল)
  • Apple II (১৯৭৭ সাল)
  • IBM PC (১৯৮১ সাল)

এই সময়ের কম্পিউটারগুলোর বিকাশে বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীর অবদান রয়েছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:

  • জন ভন নিউম্যান
  • জ্যাক কিলবি
  • রবার্ট নয়েস
  • টেড হফ
  • গর্ডন মুর

কম্পিউটারের আধুনিক যুগের উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার

  • ট্রানজিস্টর (১৯৪৭ সাল)

ট্রানজিস্টর হল একটি ইলেকট্রনিক উপাদান যা দ্বারা একটি বৈদ্যুতিক প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ট্রানজিস্টরের আবিষ্কারের ফলে ইলেকট্রনিক কম্পিউটার তৈরি করা সম্ভব হয়।

  • আইসি (১৯৫৮ সাল)

আইসি হল একটি ইলেকট্রনিক সার্কিট যা একটি ছোট আকারের সিলিকন চিপের মধ্যে তৈরি করা হয়। আইসির আবিষ্কারের ফলে কম্পিউটারের আকার ছোট করা সম্ভব হয়।

  • মাইক্রোপ্রসেসর (১৯৭১ সাল)

মাইক্রোপ্রসেসর হল একটি ইলেকট্রনিক চিপ যা একটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াজাতকরণ ইউনিট (CPU) হিসাবে কাজ করে। মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কারের ফলে কম্পিউটারের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

কম্পিউটারের আধুনিক যুগের বৈশিষ্ট্য

  • ইলেকট্রনিক উপাদানের ব্যবহার
  • ক্ষমতা বৃদ্ধি
  • আকার ছোট হওয়া
  • ব্যয় কম হওয়া
  • ব্যবহার সহজ হওয়া

কম্পিউটারের আধুনিক যুগ আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে তুলেছে।

কম্পিউটারের আধুনিক যুগের ভবিষ্যৎ

কম্পিউটারের আধুনিক যুগের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স, এবং মেশিন লার্নিং-এর মতো প্রযুক্তির বিকাশের ফলে কম্পিউটার আরও ক্ষমতাশালী এবং বুদ্ধিমান হবে।

এছাড়াও, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং ওয়্যারলেস কম্পিউটিং-এর বিকাশের ফলে কম্পিউটারের ব্যবহার আরও সহজ এবং ব্যাপক হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *